খবরের বিস্তারিত...

FB_IMG_1641911983922

স্বাধীন নির্বাচন কমিশন গঠনে রাষ্ট্রপতির সংলাপে ইসলামিক ফ্রন্ট এর ৫ দফা প্রস্তাবনা পেশ

জানু. 11, 2022 সাংগঠনিক খবর

নির্বাচন কমিশন গঠনে রাজনৈতিক দলের সাথে আলোচনার অংশ হিসেবে মহামান্য রাষ্ট্রপতির আমন্ত্রণে ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ এর চেয়ারম্যান আল্লামা সৈয়দ বাহাদুর শাহ মোজাদ্দেদীর নেতৃত্বে ০৭ (সাত) সদস্যের প্রতিনিধি দল আজ ১১ জানুয়ারী’২২ সন্ধ্যা ৬.০০টায় বঙ্গভবনে সংলাপে অংশগ্রহণ করেন। প্রতিনিধি দলের মধ্যে – ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ এর ভাইস চেয়ারম্যান খাজা এনায়েত উল্লাহ, সংগঠনের মহাসচিব- অধ্যক্ষ আল্লামা জয়নুল আবেদীন জুবাইর, যুগ্ম মহাসচিব- খাজা আরিফুর রহমান তাহেরী, যুগ্ম মহাসচিব-আল্লামা মোশাররফ হোসেন হেলালী, সাংগঠনিক সচিব- এডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী রিজভী, অর্থ সচিব-এডভোকেট মুহাম্মদ শাহীদুল আলম রিজভী ও সহ-দপ্তর সচিব-এম. এম. নাঈম উদ্দীনসহ প্রমূখ অংশগ্রহণ করেন।

মহামান্য রাষ্ট্রপতির সাথে আলোচনায় ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ এর চেয়ারম্যান আল্লামা সৈয়দ বাহাদুর শাহ মোজাদ্দেদী বলেন-গণতান্ত্রিক সমাজের মূল চালিকা শক্তি হচ্ছে নির্বাচন। নির্বাচনের মধ্য দিয়েই জনমতের প্রতিফলন ঘটে। অথচ নির্বাচনের মতো এহেন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি বাংলাদেশের রাজনীতিতে অনেকটা আনুষ্ঠানিকতায় পর্যবসিত হয়েছে। গোটা নির্বাচনী ব্যবস্থাই আজ সংকটাপন্ন। ফলে নির্বাচনী আমেজ-আবহ, ভাবগাম্ভীর্যতা ও উৎসবমুখরতা ক্রমশ: বিলুপ্তির দিকে। উপরন্তু এক্ষেত্রে তৈরী হচ্ছে জনগণের আস্থার সংকট। এমনকি যার নেতিবাচক পরিণতিতে ক্রমাগত ভোটকেন্দ্র বিমুখ হয়ে পড়ছে ভোটাররা। যা ভবিষ্যৎ গণতন্ত্রের জন্য অশনিসংকেতই বলা যায়।
এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ এর পক্ষ থেকে ৫দফা প্রস্তাবনা পেশ করা হয়েছে-
১. সংবিধান মোতাবেক একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহি মূলক, স্বয়ংসম্পুর্ণ শক্তিশালী ও স্বাধীন নির্বাচন কমিশন গঠন করা।
২. নির্বাচন এর সার্বিক কর্মকান্ডকে সরকারের সম্পূর্ণ প্রভাবমুক্ত ও নির্বাহী বিভাগের আওতামুক্ত রাখা।
৩. কমিশনের কাজের সুবিধার্থে প্রয়োজন মোতাবেক সামরিক, আধা সামরিক ও আইন প্রয়োগকারী বাহিনী সরবরাহ করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বাধ্য থাকা।
৪. নির্বাচন কমিশনের সকল পরামর্শ – নির্দেশ রেডিও টেলিভিশনসহ সকল সম্প্রচার মিডিয়া কর্তৃপক্ষ যথার্থ প্রচারে বাধ্য
থাকা।
৫. এতদ সংক্রান্ত আইনের একটি চুড়ান্ত খসড়া প্রনয়ন করতঃ আধ্যাদেশ আকারে জারী করে এটা বলবৎ এর পরে তা সংসদে অনুমোদন করা। তাহলেই সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে কোনপ্রকার দ্বিধা সংশয়ের অবকাশ থাকবেনা।

Comments

comments

Related Post